বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ-
গোসাইরহাটে বড় কাচনা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার নাটোরের বড়াইগ্রামে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার কুচাইপট্টিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ব্যক্তি উদ্যোগে খাদ্য সহায়তা ইকবাল হোসেন অপু এমপি’র নেতৃত্বে ২১আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণ চন্দ্রপুরে জাতির পিতার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা তুলাসার ইউনিয়নে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার ও আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে -ইকবাল হোসেন অপু এমপি বন্যায় প্লাবিত নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চিকিৎসা সেবা ব্যহত ভিডিও কনফারেন্সে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় করোনা আর বন্যা একসাথে মোকাবেলা করতে সরকার দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে -উপমন্ত্রী শামীম
বিনোদপুরে ভুয়া ডাক্তারের হাতে নবজাতকের মৃত্যু, ২জন আটক

বিনোদপুরে ভুয়া ডাক্তারের হাতে নবজাতকের মৃত্যু, ২জন আটক

টাইমস রিপোর্ট ॥ শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের ভুয়া ডাক্তারের হাতে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় পালং মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামীরা হলেন সদর উপজেলার ছোট বিনোদপুর (পশ্চিমপাড়) গ্রামের মোতালেব সরদারের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫৫) এবং একই গ্রামের । শুক্রবার পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্ররণ করেছেন। এনায়েত হোসেন সরদারের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আয়া (চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী) পদে কর্মরত আছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, সদর উপজেলার ছোট বিনোদপুর (পশ্চিম পাড়) গ্রামের কালাচান ঢালীর মেয়ে সারমিন আক্তার(২১) ৭ এপ্রিল প্রসব বেদনা অনুভব করে। তখন রোগীর বাড়িতে নরমাল ডেলিভারির জন্য পাশের বাড়ির সুফিয়া বেগমকে দাইমা হিসেবে নিয়োগ করা হয়। সুফিয়া বেগম সারমিনের পরিবারকে জানায় যে, নরমাল ডেলিভারী সম্ভব না। আমার একজন পরিচিত এমবিবিএস ডাক্তার আছে তার সহযোগিতা নিলে সহজে ডেলিভারী করানো সম্ভব। তখন সারমিনের পরিবারের সাথে ১০ হাজার টাকা চুক্তিতে সুফিয়া বেগম এসবিবিএস ডাক্তার পরিচয়দানকারী হোসনে আরাকে মোবাইল ফোনে কল করে নিয়ে আসে। তারা ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সারে ৯টা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে সারমিনের যৌনঙ্গের বিভিন্ন অংশে কেটে একটি কন্যা সন্তান বের করে। এর কিছু ক্ষণের মধ্যেই নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরিবারের লোকজন সারমিনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। সারমিনের মা মাকসুদা বেগম জানতে পারে ডাক্তার পরিচয়দানকারী হোসনে আরা বেগম কোন ডাক্তার নয়। সে হাসপাতালের আয়া। এই বিষয়ে মাকসুদা বেগম বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় মামলা করেছেন।
মামলার বাদী মাকসুদা বেগম বলেন, আসামী সুফিয়া বেগম প্রতারণা করে আয়াকে ডাক্তার সাজিয়ে আমার মেয়ের কাছে নিয়ে আসে। আমার সাথে ১০ হাজার টাকার চুক্তিও করে। আমি তাদের সকল কথা মেনে নেই। আমি ওই ভন্ড প্রতারকদের সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল এলাকায় গিয়ে জানা গেছে, আয়া হোসনে আরা বেগম ডাক্তার পরিচয়ে মোটা অংকের টাকার চুক্তিতে দীর্ঘদিন যাবত ডেলিভারির কাজ করছেন। জেলা শহরের বে-সরকারি ক্লিনিকের মালিকানা বনে গেছেন। সে প্রভাব খাটিয়ে টিকিট কাউন্টারের বসে। সেখান থেকে তার বোন, আত্মীয় ও দালালের মাধ্যমে রোগী তার ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেয়। পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, সদর হাসপাতালের আয়া হোসনে আরা বেগম এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয়ে এক নবজাতককে মেরে ফেলেছে এমন অভিযোগে এনে মাকসুদা বেগম নামে এক মহিলা মামলা করেছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক
error: কপি করা দন্ডনীয় অপরাধ,যে কোনো প্রয়োজনে কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।