শনিবার, ০৬ Jun ২০২০, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ-
ডামুড্যার ইয়াবা ব্যবসায়ী খোকন র‌্যাবের হাতে আটক শরীয়তপুরে ২নার্সসহ আরো ৯জন করোনায় আক্রান্ত গোসাইরহাটে জিপিএ-৫ না পেয়ে ছাত্রীর আত্মহত্যা সখিপুরের আরশিনগরে প্রতিবন্ধী ছাত্রীকে ধর্ষণ, মীমাংসার জন্য চাপ প্রয়োগ করোনায় শরীয়তপুরে ২৪ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৩১জন আক্রান্তের রেকর্ড, ১জনের মৃত্যু বজ্রপাতে ডামুড্যা পল্লী বিদ্যুতের দুই কর্মকর্তার মৃত্যু শরীয়তপুর পৌরসভায় কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য বিতরণে অনিয়ম প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা নড়িয়ার চামটায় করোনার উপসর্গে যুবকের মৃত্যু শরীয়তপুরে কর্মহীন ভাসমান শ্রমিকদের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ বিনোদপুরে ভুয়া ডাক্তারের হাতে নবজাতকের মৃত্যু, ২জন আটক
শরীয়তপুর হাসপাতালে করোনা সন্দেহে মৃতের লাশ নিয়ে পালালো স্বজনরা

শরীয়তপুর হাসপাতালে করোনা সন্দেহে মৃতের লাশ নিয়ে পালালো স্বজনরা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে এক নারীর জ্বর ও মাথা ব্যথা নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর মারা যাওয়া করোনা সন্দেহে লাশ নিয়ে পালিয়ে গেছে স্বজনরা। ঐ নারীর বাড়ি শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে। শনিবার ১০টার দিকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুর পর নমূনা সংগ্রহের প্রস্তÍুতি কালে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে পালিয়েছে বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মুনির আহম্মেদ খান।
এদিকে এ ঘটনার পর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহেরের নিদের্শে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মাহাবুর রহমান, পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আসলাম উদ্দিন ও জেলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের একটি টিম ওই গ্রামে গিয়ে মৃতের লাশ দাফন করেছেন এবং করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পালং থানার ওসি আসলাম উদ্দিন বলেন, আমি ও উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও ডা: সোবাহান এলাকায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করি। এর পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। পরিবারের সবাইকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৯টায় জ্বর ও মাথা ব্যাথা নিয়ে নিপা বেগম(২৫) নামে এক রোগীকে অসুস্থ্য অবস্থায় সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে তার স্বজনরা। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। মহিলা ওয়ার্ডে নেয়ার পর তার (স্নায়ু) পালস না পেয়ে নার্স /সেবিকারা তাৎক্ষণিক ডাক্তারকে অবহিত করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক রনেশ বোস তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ রাগীর করোনা ভাইরাস ছিল কিনা নিশ্চিত হওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নমূনা সংগ্রহ করার নির্দেশ দেয়। নমূনা সংগ্রহের প্রস্তÍুতিকালে লোক স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে জরুরী বিভাগের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক রনেশ বোসের কাছে রোগীর নমূনা সংগ্রহের আগে কিভাবে ছাড়পত্র পেল এবং পালিয়ে গেল জানতে চাইলে তিনি কোন সদোত্তর দিতে পারেনি।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুমন কুমার পোদ্দার বলেন, জ্বর ও মাথা ব্যাথা নিয়ে সকাল ৯টায় রোগী নিয়ে আসে। রোগী অজ্ঞান ছিল। তার পর তাকে চিকিৎসা দিয়ে ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। সেখানে নেয়ার পূর্বেই তিনি মারা যান। নার্সরা আমাদেরকে জানানোর পর তাকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। আমরা নমূনা সংগ্রহের জন্য কাজে ব্যস্ত এ ফাঁকে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে পালিয়ে যায়।
জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, আমি এ বিষয়টি জানার পর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং ওসি পালং থানাকে জানানো হয়েছে। তারা ঐ রোগীর বাড়ি থেকে নমূনা সংগ্রহ করেছে এবং ফলাফল না আসা পর্যন্ত ঐ রোগীর পরিবারসহ আশে পাশের বাড়ি ঘরগুলো হোম কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা নিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক
error: কপি করা দন্ডনীয় অপরাধ,যে কোনো প্রয়োজনে কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।