বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৭:১০ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ-
গোসাইরহাটে বড় কাচনা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার নাটোরের বড়াইগ্রামে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার কুচাইপট্টিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ব্যক্তি উদ্যোগে খাদ্য সহায়তা ইকবাল হোসেন অপু এমপি’র নেতৃত্বে ২১আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণ চন্দ্রপুরে জাতির পিতার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা তুলাসার ইউনিয়নে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার ও আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে -ইকবাল হোসেন অপু এমপি বন্যায় প্লাবিত নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চিকিৎসা সেবা ব্যহত ভিডিও কনফারেন্সে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় করোনা আর বন্যা একসাথে মোকাবেলা করতে সরকার দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে -উপমন্ত্রী শামীম
জাজিরায় মামলা তুলে না নেয়ায় ধর্ষিতার পিতাকে বোমা নিক্ষেপ, হাসপাতালে ভর্তি

জাজিরায় মামলা তুলে না নেয়ায় ধর্ষিতার পিতাকে বোমা নিক্ষেপ, হাসপাতালে ভর্তি

জাজিরা প্রতিনিধি ॥ শরীয়তপুরের জাজিরায় ধর্ষণের মামলা তুলে না নেয়ায় বুধবার রাতে ধর্ষিতার পিতা লিটন মোল্লাকে বোমা নিক্ষেপ করেছে আসামীপক্ষের লোকজন। গুরুতর আহত অবস্থায় রাত ১০টায় লিটন মোল্লাকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। জানা গেছে, জাজিরা উপজেলার সুধন্য মন্ডলেরকান্দি গ্রামে ৭ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলা তুলে নিতে অথবা আপস-মীমাংশা করতে গত কয়েকদিন যাবত বাদীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে আসছে আসামীপক্ষের লোকজন। তাদের হুমকির মুখে ভয়ে হাট-বাজারে যাওয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে ভিকটিমের পিতা লিটন মোল্লা। নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে ভিকটিমের পুরো পরিবার। সন্ত্রাসীতের হুমকির মুখে লিটন মোল্লার ৭ম শ্রেণিতে পড়–য়া ধর্ষণের শিকার ওই কন্যা এ বছর বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা দিতে পারেনি। বন্ধ হয়ে গেছে তার পড়ালেখা। এদিকে ২৩ দিনেও ধর্ষক সাগর গ্রেপ্তার না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জাজিরা থানা ও ভিকটিমের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ১৩ নভেম্বর বিকেলে জাজিরা উপজেলার সুধন্য মন্ডলেরকান্দি গ্রামের লিটন মোল্লার কন্যা জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের মির্জা হজরত আলী হাই স্কুলের ৭ম শ্রেণি পড়–য়া ছাত্রীকে প্রতিবেশী জলিল বেপারীর ছেলে শওকত বেপারী কৌশলে তার বন্ধু সাগর শিকদারের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় এবং একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে। এসময় ওই ঘরে পূর্ব থেকেই সাগর বেপারী লুকিয়ে ছিল। এসময় সাগর শিকদার ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে ওই দিনই ভিকটিমের মা রুমা বেগম বাদী হয়ে জাজিরা থানায় মামলা করে। হাসপাতালে ভর্তি লিটন মোল্লা বলেন, আমার ৭ম শ্রেণির মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা করার পর থেকেই আসামী পক্ষের লোকজন আমাকে মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করে আসছে। আসামীদের হুমকির মুখে আমি দীর্ঘদিন বাড়ি থেকে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছিলাম। ধর্ষক সাগরের পিতা দুলাল শিকদার ও স্থানীয় মেম্বার আহাতার আমাকে ২ লাখ টাকা নিয়ে মামলা আপস-মীমাংশা করার জন্য গত কয়েকদিন যাবত চাপ দিয়ে আসছিল। আমি তাতে রাজি হইনি। বুধবার সন্ধ্যায় স্ত্রী ও সন্তানদের খোঁজখবর নিতে বাড়ি আসি। স্থানীয় নয়াবাজারে যাওয়ার পথে ধর্ষক সাগরের পিতা দুলাল শিকদার ও স্থানীয় মেম্বার আতাহারসহ অন্য ২/৩ জন আমাকে রাস্তায় ঘেরাও করে। এ সময় আমি দৌড় দিলে পিছন দিক থেকে আমাকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করে। এরপর আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাই। এ বিষয়ে সাগর শিকদারের পিতা দুলাল শিকদার বলেন, কে বা কারা বোমা নিক্ষেপ করছে আমি তা জানিনা। জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত একজন আসামীকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামীকে গ্রেপ্তারের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক
error: কপি করা দন্ডনীয় অপরাধ,যে কোনো প্রয়োজনে কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।