সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২০, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ-
নড়িয়ায় করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধের মৃত্যুতে ৩৩ পরিবার লকডাউনে শরীয়তপুর হাসপাতালে করোনা সন্দেহে মৃতের লাশ নিয়ে পালালো স্বজনরা জাজিরার গজনাইপুর ও চরধুপুরে ৩০টি বাড়িঘর কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা ইকবাল হোসেন অপুর পক্ষে নেতারা খাদ্য নিয়ে কর্মহীনদের বাড়ি বাড়ি নড়িয়ায় শ্বাসকষ্টে রোগীর মৃত্যু, করোনা সন্দেহে পাঁচ পরিবার লকডাউন শরীয়তপুরে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হওয়া এক রোগীর মৃত্যু শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শরীয়তপুরে এই প্রথম করোনা সন্দেহে এক তরুণী আইসোলেশনে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে বাড়ি বাড়ি এনামুল হক শামীম শরীয়তপুরে বিভিন্ন স্থানে পারভীন হক সিকদারের পক্ষে জীবানুনাশক স্প্রে
জাজিরায় ১৯ দিনেও ধর্ষক সাগর গ্রেপ্তার হয়নি

জাজিরায় ১৯ দিনেও ধর্ষক সাগর গ্রেপ্তার হয়নি

টাইমস রিপোর্ট ॥ শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার সুধন্য মন্ডলেরকান্দি গ্রামে ৭ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলা তুলে নিতে বাদীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়েছে আসামীপক্ষের লোকজন। তাদের হুমকির মুখে ভয়ে হাট-বাজারে যাওয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে ভিকটিমের পিতা লিটন মোল্লা। নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে ভিকটিমের পুরো পরিবার। এদিকে ১৯ দিনেও ধর্ষক সাগর গ্রেপ্তার না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার সকালে শরীয়তপুর শহরের ডাকবাংলো মোড়ে স্থানীয় দৈনিক শরীয়তপুর খবর পত্রিকা অফিসে এসে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেছেন ভিকটিমের পিতা দিনমজুর লিটন মোল্লা।
জাজিরা থানা ও ভিকটিমের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ১৩ নভেম্বর বিকেলে জাজিরা উপজেলার সুধন্য মন্ডলেরকান্দি গ্রামের লিটন মোল্লার কন্যা জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের মির্জা হজরত আলী হাই স্কুলের ৭ম শ্রেণি পড়–য়া ছাত্রীকে প্রতিবেশী জলিল বেপারীর ছেলে শওকত বেপারী কৌশলে তার বন্ধু সাগর শিকদারের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় এবং একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে। এসময় ওই ঘরে পূর্ব থেকেই সাগর বেপারী লুকিয়ে ছিল। এসময় সাগর শিকদার ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার পর থেকেই সাগর শিকদার এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে ওই দিনই ভিকটিমের মা রুমা বেগম বাদী হয়ে জাজিরা থানায় মামলা করে। পুলিশ শওকত বেপারীকে আটক করলেও ধর্ষক সাগর শিকদারকে এখনও প্রেপ্তার করতে পারেনি। ভিকটিমের পিতা লিটন মোল্লা রবিবার স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, মামলার আসামীপক্ষের লোকজন মামলা তুলে নিয়ে আপস-মীমাংশা করার জন্য তাকে চাপ প্রয়োগ করছে। তিনি আসামীপক্ষের লোকজনের হুমকির মুখে ভয়ে হাট-বাজারে যেতে পারছেন না। স্থানীয় ইউপি মেম্বার আতাহার মোল্লা বলেন, ঘটনা পরবর্তী আমি ঘটনাস্থলে যাই। ছেলে মেয়ে উভই আমার আত্মীয়। তাই বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করি। এখন থানায় মামলা হয়েছে। একজন আসামী গ্রেপ্তার হয়ে হাজতে আছে। এখন যা হবার তা আইনেই হবে। আমাদের কিছুই করার নাই। এ বিষয়ে সাগর শিকদারের পিতা দুলাল শিকদার বলেন, আমি কাউকে হুমকি দেই নাই। আমার ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়ে দিয়েছি। অপরাধী হলে আদালতে যে শাস্তি দিবে আমার ছেলে তা ভোগ করবে। জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত একজন আসামীকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামীকে গ্রেপ্তারের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক
error: কপি করা দন্ডনীয় অপরাধ,যে কোনো প্রয়োজনে কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।