বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ-
পদ্মার দুর্গম চরে বিদ্যুতে আলোকিত ৪০ হাজার পরিবার গোসাইরহাটে বড় কাচনা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার নাটোরের বড়াইগ্রামে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার কুচাইপট্টিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ব্যক্তি উদ্যোগে খাদ্য সহায়তা ইকবাল হোসেন অপু এমপি’র নেতৃত্বে ২১আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণ চন্দ্রপুরে জাতির পিতার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা তুলাসার ইউনিয়নে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার ও আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে -ইকবাল হোসেন অপু এমপি বন্যায় প্লাবিত নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চিকিৎসা সেবা ব্যহত ভিডিও কনফারেন্সে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়
জেল-জরিমানা উপেক্ষা করে গোসাইরহাটে নদীতে চলছে ইলিশ শিকার

জেল-জরিমানা উপেক্ষা করে গোসাইরহাটে নদীতে চলছে ইলিশ শিকার

ইউসুফ গোহার, গোসাইরহাট থেকে ॥ জেল-জরিমানা উপেক্ষা করে গোসাইরহাটে নদীতে অবাধে চলছে মা ইলিশ নিধন। প্রতিনিয়ত জেলেরা জাল ফেলছে নদীতে। নদীর পড়েই বসে ইলিশ মাছ বিক্রির হাট। পদ্মা নদীর পারে দুর্গম চর এলাকায় বিভিন্ন স্থানে মা ইলিশ ধরে পদ্মাপাড়েই প্রকাশ্যে বিক্রি করছে জেলেরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীতে অভিযান চালিয়ে মা ইলিশ ধরার অপরাধে জেলেদের আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানা করা হলেও থামছে না জেলেরা। কমবেশী প্রতিদিনই আটক করা হচ্ছে জেলে, নৌকা ও মাছ। কিন্তু সফলতা তেমন একটা আসছে না। উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্র জানায়, প্রজনন মৌসুম হিসেবে ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পযর্ন্ত ২২দিন ইলিশ শিকার, পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। এ সময়ে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে সরকারী খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে জেলেদের। তারপরও থেমে নেই জেলেদের মাছ ধরা। একদিকে প্রশাসনের লোকেরা অভিযান চালাচ্ছে তো অন্যদিক দিয়ে জাল ফেলছে জেলেরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, গোসাইরহাটের মাইজারা থেকে জালালপুর-টেকপাড় পযর্ন্ত পদ্মা নদীতে দিন-রাত মাছ শিকার করছে জেলেরা। শত শত নৌকা ও ট্রলার দিয়ে নদীতে মাছ শিকার যেন এখন উৎসবে পরিণত হয়েছে। জেলেদের ধরা মাছ বিক্রি হচ্ছে পদ্মাপাড়ে দুর্গম এলাকায়। কম দামে ইলিশ মাছ কিনতে জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রেতারা এসে ভীড় জমাচ্ছে। প্রশাসনের নজর এড়াতে ট্রাভেল ব্যাগ, কাপড়চোপড় আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত ব্যাগ ইত্যাদিতে করে ইলিশ কিনে নিয়ে যাচ্ছে ক্রেতারা। ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকায় মিলছে এক হালি ইলিশ। যা কয়েক দিন পরই বাজারে বিক্রি হবে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকায়।
এক দরিদ্র জেলের বক্তব্য, আমরা গাঙ্গে মাছ ধরি। দিন আনি দিন খাই। মাছ না ধরলে কী খামু। মাছ ধইরা পাড়ে আইনা বেচি। এ টাকা দিয়া আমাগো সংসার চালাই। জেলেরা জানায়, এই সময় ইলিশ বেশি পাওয়া যায়। আয়ও বেশি। চারটি ইলিশ প্রতিটি এক কেজি করে, দাম ১ হাজার টাকা। মানুষ ইলিশ কিনে মেইন রোড দিয়ে যায় না। বিকল্প রোডে যায়। কারণ মেইন রোডে পুলিশ টহল দেয়। ভরা মৌসুমে মাছ ধরতে না পারলে সারা বছরের লোকসান পোষাতে পারব না। তাই ঝুঁকি নিয়ে মাছ শিকার করছি। পুলিশ এলে সব লোকজন মাছ ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক
error: কপি করা দন্ডনীয় অপরাধ,যে কোনো প্রয়োজনে কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।