বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ-
শরীয়তপুর পলিটেকনিকের ছাত্রীদেরকে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়ায় শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ শরীয়তপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর মাছ শিকারীর গলিত লাশ উদ্ধার শরীয়তপুরে ৮দিন জেলখেটে ধর্ষক জামিনে মুক্ত, আতঙ্কে ভিকটিমের পরিবার, সুশীল সমাজে ক্ষোভ শরীয়তপুরে কলেজছাত্রী গণধর্ষণের অভিযোগে ৪ পরিবহন শ্রমিকের বিরুদ্ধে মামলা, আটক-১ কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা, জাজিরা পৌর মেয়রপুত্র জেলহাজতে পাটুনীগাঁওয়ে কাঠমিস্ত্রীকে হাতুড়িপেটা শরীয়তপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা কালকিনিতে মাদক মামলার পলাতক আসামী র‌্যাবের হাতে আটক শরীয়তপুরের কোয়ারপুরে দু’গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৮ ডামুড্যায় অগ্নিকান্ডে মুদি দোকানীর মৃত্যু
সখিপুরে ৫ সন্তানের জননীকে ধর্ষণ, ভেঙ্গে গেছে স্বামীর সংসার

সখিপুরে ৫ সন্তানের জননীকে ধর্ষণ, ভেঙ্গে গেছে স্বামীর সংসার

images টাইমস রিপোর্ট ॥ শরীয়তপুরের সখিপুর থানার দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নের সেলিম মাল কান্দি গ্রামের জসিম দেওয়ানের স্ত্রী ৫ সন্তানের জননীকে ধর্ষণ করেছে একই ইউনিয়নের কাশেম মাল কান্দি গ্রামের বাদশা মালের ছেলে জমির মাল(৪৪)। এ ঘটনায় ওই ভিকটিম বাদী হয়ে সখিপুর থানায় মামলা করেছে। মামলায় ধর্ষক জমির মাল ও তার সহযোগী সাহেরা বেগমকে আসামী করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে ধর্ষক ও তার সহযোগী পলাতক রয়েছে। এদিকে ধর্ষণের শিকার ৫ সন্তানের জননীকে তালাক দিয়েছে তার স্বামী জসিম দেওয়ান। সখিপুর থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নের কতিপয় লোক ঢাকা জেলার ডেমরা থানা এলাকার এনায়েতপুরী পীরের ভক্ত। মাঝেমধ্যে ওই পীরের ভক্ত জমির মাল সেলিম মাল কান্দি গ্রামের জয়নাল ফকিরের স্ত্রী সাহেরা বেগমের ঘরে মজলিস বসিয়ে পীরভক্ত অন্যান্য মহিলাদের সাথে আড্ডা করতেন। ২১ মার্চ সাহেরা বেগমের স্বামী জয়নাল ফকির বাড়ির বাইরে ছিল। এই সুযোগে রাত ১১টার সময় সাহেরা বেগম ভিকটিমের বাড়িতে গিয়ে জমির মালের সাথে আলোচনা আছে বলে ধর্ষণের শিকার ওই মহিলাকে ডেকে আনে। ধর্ষক জমির মাল আলোচনার ছলে কৌশলে রাত ১২টা সাহেরা বেগমের সহযোগিতায় ভিকটিমকে পার্শ্ববর্তী কক্ষে নিয়ে যায়। এ সময় ধর্ষকের সহযোগী সাহেরা বেগম কক্ষের বিদ্যুতের বাতি নিভিয়ে দেয় এবং বাহির থেকে কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেয়। জমির মাল ৫সন্তানের জননীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ভিকটিম বলেন, সাহেরা বেগমের সহায়তায় জমির মাল জোরপূর্বক আমাকে ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় আমি থানায় মামলা করেছি। তারপরেও আমার স্বামী আমাকে তালাক দিয়েছে। এখন ৫টি সন্তান নিয়ে আমি কোথায় গিয়ে দাড়াঁবো। আমি ধর্ষক জমির মাল ও সহযোগী সাহেরা বেগমের বিচার দাবি করছি। সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. এনামুল হক বলেন, ধর্ষক ও ভিকটিম একই পীরের মুরিদ। আলোচনার কথা বলে কৌশলে ভিকটিমকে ধর্ষণ করেছে। ঘটনার পর ভিকটিমকে তার স্বামী তালাক দিয়েছে। স্বামী-স্ত্রী এক সাথে থানায় এসে এজাহার করে। স্বামী-স্ত্রীকে সহ-অবস্থানে থাকার জন্য বলেছি। ঘটনার পর থেকে আসামীরা পলাতক আছে। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক
error: কপি করা দন্ডনীয় অপরাধ,যে কোনো প্রয়োজনে কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।