বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ-
শরীয়তপুর পলিটেকনিকের ছাত্রীদেরকে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়ায় শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ শরীয়তপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর মাছ শিকারীর গলিত লাশ উদ্ধার শরীয়তপুরে ৮দিন জেলখেটে ধর্ষক জামিনে মুক্ত, আতঙ্কে ভিকটিমের পরিবার, সুশীল সমাজে ক্ষোভ শরীয়তপুরে কলেজছাত্রী গণধর্ষণের অভিযোগে ৪ পরিবহন শ্রমিকের বিরুদ্ধে মামলা, আটক-১ কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা, জাজিরা পৌর মেয়রপুত্র জেলহাজতে পাটুনীগাঁওয়ে কাঠমিস্ত্রীকে হাতুড়িপেটা শরীয়তপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা কালকিনিতে মাদক মামলার পলাতক আসামী র‌্যাবের হাতে আটক শরীয়তপুরের কোয়ারপুরে দু’গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৮ ডামুড্যায় অগ্নিকান্ডে মুদি দোকানীর মৃত্যু
নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় সাংবাদিক ফয়সালের মৃত্যুতে ডামুড্যায় শোকের মাতম

নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় সাংবাদিক ফয়সালের মৃত্যুতে ডামুড্যায় শোকের মাতম

29104028_2053525744896440_203958431994871808_nডামুড্যা প্রতিনিধি ॥ নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় সাংবাদিক ফয়সালের অকাল মৃত্যুতে শরীয়তপুরের ডামুড্যা পৌরসভার তার গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পরিবারের সদস্যরা ফয়সালের মৃত্যুকে যেন কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছে না। শরীয়তপুরের ডামুড্যা পৌরসভার সামসুদ্দিন সরদার ও মোসাম্মৎ সামসুন্নাহার বেগমের বড় ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২৯)। পাঁচ ভাই বোনের মধ্য সে দ্বিতীয়। ২০০৪ সালে ডামুড্যা মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করার পর ঢাকা তিতুমীর কলেজে এইচএসসি এবং স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স সম্পন্ন করে ফয়সাল। ব্যক্তিজীবনে অবিবাহিত ফয়সাল বৈশাখি টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিল। ঢাকার ধানমন্ডি ১৫ নম্বরে বড় বোন শিউলী আক্তারের বাসায় থাকতো সে। গ্রামের বাড়িতে খুব কম আসতো ফয়সাল। নেপালে ঘুরতে যাওয়ার কথা কাউকে বলেনি ফয়সাল। অফিস, বাসা, আত্মীয় স্বজন কাউকে না জানিয়েই নেপাল গিয়েছিল ফয়সাল। ঢাকায় বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বড় বোন শিউলীকে বলেছিল ঢাকার বাইরে যাচ্ছি। এটাই পরিবারের কারো সাথে ফয়সালের শেষ কথা ছিল। সর্বশেষ গত ৮/৯ মাস আগে পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শরীয়তপুর এসেছিল সে। অফিস থেকে ৫ দিনের ছুটি নিলেও নেপাল যাওয়ার বিষয়ে অফিসকে অবহিত করেনি। পরিবারের কেউ জানে না ফয়সাল নেপাল গিয়েছে। সোমবার সকাল ১১ টার দিকে ঢাকার বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বড় বোন শিউলী আক্তারকে বলেছিল ঢাকার বাইরে যাচ্ছে সে। এটাই ছিল পরিবারের কারো সাথে ফয়সালের সর্বশেষ কথা। মায়ের হাতে রান্না করা গরুর মাংসের খিচুড়ি খুবই পছন্দ ছিল ফয়সালের। মা সামসুন্নাহার বেগম মাঝে মাঝে জ্ঞান ফিরে পেলে সেই খিচুড়ির কথা মনে করেই আহাজারি করছেন। ফয়সালের বাবা সামসুদ্দিন সরদার কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, ছেলে যে নেপাল গিয়েছে আমরা কেউ জানতাম না। বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার অনেক পরে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারি ফোন দিয়ে ফয়সাল কোথায় আছে জানতে চান। এরপর তিনি বড় মেয়েকে ফোন দেন। তখন বড় মেয়ে জানায়, ফয়সাল ঢাকার বাইরে যাওয়ার কথা বলে সকালে বাসা থেকে বের হয়েছে। এরপর আর যোগাযোগ হয়নি। রাতে তারা নিশ্চিত হন নেপালে বিধ্বস্ত বিমানে ফয়সাল ছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক
error: কপি করা দন্ডনীয় অপরাধ,যে কোনো প্রয়োজনে কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।