বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ-
শরীয়তপুর পলিটেকনিকের ছাত্রীদেরকে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়ায় শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ শরীয়তপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর মাছ শিকারীর গলিত লাশ উদ্ধার শরীয়তপুরে ৮দিন জেলখেটে ধর্ষক জামিনে মুক্ত, আতঙ্কে ভিকটিমের পরিবার, সুশীল সমাজে ক্ষোভ শরীয়তপুরে কলেজছাত্রী গণধর্ষণের অভিযোগে ৪ পরিবহন শ্রমিকের বিরুদ্ধে মামলা, আটক-১ কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা, জাজিরা পৌর মেয়রপুত্র জেলহাজতে পাটুনীগাঁওয়ে কাঠমিস্ত্রীকে হাতুড়িপেটা শরীয়তপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা কালকিনিতে মাদক মামলার পলাতক আসামী র‌্যাবের হাতে আটক শরীয়তপুরের কোয়ারপুরে দু’গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৮ ডামুড্যায় অগ্নিকান্ডে মুদি দোকানীর মৃত্যু
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ

pic-01Pic-02

টাইমস রিপোর্ট ॥ শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চামটা ইউনিয়নের গোলার বাজার পুরান দিনারা হাট এলাকায় রাস্তার পাশের অর্ধশত বছরের পুরাতন ৬টি বড় কড়ই গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে চামটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন রাঢ়ীর বিরুদ্ধে। গাছের আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ টাকা হবে বলে এলাকাবাসী ধারণা করেছে।
নড়িয়া থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, চামটা ইউনিয়নের গোলার বাজার দিনারা হাট রাস্তার গোলার বাজার ব্রিজের পাশের কেরামত আলী শেখের বাড়ির সামনে প্রায় অর্ধশত বছরের পুরাতন ৬ টি বড় কড়ই গাছ ছিল। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন রাঢ়ী কয়েকদিন যাবত সাবেক মেম্বার সোলেমান খানকে সাথে নিয়ে গাছগুলি কাটতে শ্রমিক নিয়োগ করে। শ্রমিকরা গত তিনদিনে তিনটি গাছ পুরোপুরি কেটে নিয়ে যায়। বাকি তিনটি কাটার প্রক্রিয়া চলছে। শুক্রবার দুপুরে সরকারি গাছ কাটার খবর পেয়ে নড়িয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাটা গাছগুলো উদ্ধার করে এবং গাছ কাটার দায়ে সাবেক মেম্বার সোলেমান খানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। সেই সাথে গাছ কাটার যন্ত্রপাতিসহ কাটা গাছগুলো জব্দ করে। আটককৃত সোলেমান মেম্বার বলেন, চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন রাঢ়ী গাছগুলো কিনেছে এবং সে আমাকে কাটার দায়িত্ব দেয়। তাই আমি গাছ কাটতেছিলাম।
চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন রাঢ়ীকে তার বাসস্থানে না পেয়ে মুঠোফোনে তার সাথে যোগাযোগ করলে, গাছ কাটার বিষয়ে সে কোন কথা বলতে রাজি হয়নি। এক পর্যায়ে মুঠোফোনে সে সাংবাদিকদের গালিগালাজ করে এবং দেখে নেবে বলে হুমকি দেয়। রাস্তা ভেঙ্গে যেতে থাকলে আমি চেয়ারম্যানকে ব্যাবস্থা নিতে বলি কিন্তু আমি তার নিকট কোন গাছ বিক্রয় করিনি বলে জানান কেরামত আলী শেখ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক
error: কপি করা দন্ডনীয় অপরাধ,যে কোনো প্রয়োজনে কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।